“তালুকদার আম্বিয়া ফাউন্ডেশন” হচ্ছে একটি সাহায্যকারী এবং অলাভজনক দাতব্য প্রতিষ্ঠান। এটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই দেশ আমাদের, এই দেশের প্রতিটি নাগরিক আমাদের সহোদর। তাই এই দেশের উন্নয়নে,এই দেশের মানুষের সেবায় কাজ করতে হবে আমাদের সকলকে। নিজের মানসিকতা , দায়িত্ববোধ এবং কর্তব্য থেকেই সকলকে এগিয়ে আসা উচিৎ আর্তমানবতার সেবায়।”তালুকদার আম্বিয়া ফাউন্ডেশন” অনানুষ্ঠানিকভাবে ২০২১ সালের ১৭ জুলাই মোঃ ইমরান হোসেন এর হাত ধরে যাত্রা শুরু করে।তালুকদার আম্বিয়া ফাউন্ডেশন সুবিধাবঞ্চিতদের শিক্ষা,প্রাকৃতিক দূর্যোগে সহযোগীতা হিসেবে বস্ত্র ও খাবারসহ তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমরা সংগঠনের হাত ধরে সামনে আর ও অনেক সামাজিক ও মানবিক কাজে অংশগ্রহণ করার জন্য দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ।

অনুচ্ছেদ-১

নামকরণ : এই সংগঠন ‘তালুকদার আম্বিয়া ফাউন্ডেশন’ইংরেজীতে “Talukder Ambia Foundation” নামে অভিহিত হবে।

সংগঠনের বার্তা হবে- “চলো এগিয়ে যাই মানবতার সেবায়”

অনুচ্ছেদ-২

কার্যালয় : সংগঠনের কার্যালয় বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৩নং নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের গুলিশাখালী গ্রামের সুন্দরবন বাজারে অবস্থিত ।

অনুচ্ছেদ-৩

মনোগ্রাম : সংগঠনের নিজস্ব মনোগ্রাম-

অনুচ্ছেদ-৪

সংগঠনের ধরণ : “তালুকদার আম্বিয়া ফাউন্ডেশন” হচ্ছে একটি সাহায্যকারী এবং অলাভজনক দাতব্য প্রতিষ্ঠান।এটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

অনুচ্ছেদ-৫

সদস্য: কেবল মাত্র উৎসাহিত ও সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, গঠনতন্ত্রের সাথে সমমনা কর্মীগণ এ সংগঠনের সদস্য হতে পারবে। তালুকদার আম্বিয়া ফাউন্ডেশনের সদস্য হওয়ার শর্ত :

১. যেহেতু আমরা স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে কাজ করব, নিজ স্বার্থ হাসিল করার জন্যে ‘তালুকদার আম্বিয়া ফাউন্ডেশনের’ সাথে যুক্ত হওয়া যাবে না।

২. কোন প্রকার ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক, ধর্মীয় প্রভাব বিস্তার করা যাবে না।

৩. ‘তালুকদার আম্বিয়া ফাউন্ডেশনের’ কাজে বাধা সৃষ্টি করে এমন কর্মকান্ড ঘটানো যাবে না।

৪. নিজ নিজ দায়িত্ব ও সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে হবে।

৫. নিজেদের ভিতর কোন বিষয় নিয়ে গ্রুপিং করা যাবে না।

৬. কোন স্বেচ্ছাসেবক আইন বিরোধী কাজে লিপ্ত থাকলে, তার দায়ভার ‘তালুকদার আম্বিয়া ফাউন্ডেশন’ অথবা অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবক গ্রহণ করবে না।

৭. সকল স্বেচ্ছাসেবকই একে-অপরের ভাই-বোন সমতুল্য, নিজেদের ভিতর একাত্মতা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে, আচার-আচারণ মার্জিত ও রুচিশীল হতে হবে।

৮. নির্বাহী পরিষদ যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে তা সকল সদস্যকে অবশ্যই মানতে হবে। তবে ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যদি কোন স্বেচ্ছাসেবকের কোন অভিমত থাকে, তাহলে সে তার অভিমত প্রকাশ করতে পারবে। যৌক্তিক হলে তা অবশ্যই ভেবে দেখা হবে।

৯. যেকোন ইভেন্ট বা মিটিং-এ অবশ্যই উপস্থিত হতে হবে।

অনুচ্ছেদ-৬

সদস্য পদ বাতিলের/স্থগিতের নিয়মাবলী :

১. যদি কোন সদস্য স্বেচ্ছায় সঠিক ও উপযুক্ত কারণ উল্লেখ করে লিখিত আকারে পদত্যাগ করেন।

২. যদি মানসিক ভারসাম্য হারান।

৩. যদি সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও স্বার্থের পরিপন্থী কোন কাজ করেন বা তার স্বভাব আচার-আচরণ সংস্থার পরিপন্থী হয়।

৪. যদি দায়িত্ব ও কর্তব্য যথারীতি পালন না করেন বা সংগঠনের কাজে নিষ্ক্রিয় ও অকর্মণ্য হয়ে পরেন।

৫. প্রাসঙ্গিক কারণে কোন সদস্যকে বহিষ্কার করার এখতিয়ার সংগঠনের প্রধান ব্যক্তিগণ সংরক্ষণ করেন।

অনুচ্ছেদ-৭

সাংগঠনিক কাঠামো : কার্যকারী পরিষদের গঠন কাঠামো

১। সভাপতি ১ জন

২। সহ-সভাপতি ১ জন

৩। সাধারণ সম্পাদক ১ জন

৪। সহ-সাধারণ সম্পাদক ১ জন

৫। সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন

৬। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন

৭। প্রচার সম্পাদক ১ জন

৮। অর্থ সম্পাদক ১ জন

৯। পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন

১০। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ১ জন

অনুচ্ছেদ-৮

কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্ব, কার্যাবলী এবং যোগ্যতা :

সভাপতি
১। সংগঠনের প্রধান হিসেবে বিবেচিত হবেন।
২। সংগঠনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
৩। সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।
৪। সভাপতির স্বাক্ষর ছাড়া কোন প্রস্তাবই অনুমোদিত হবে না।
৫। সভাপতি সভা পরিচালনার পূর্ণ দায়িত্বে থাকবেন।
৬। সংগঠনের স্বার্থে ও কল্যাণে যে কোন প্রকার দায়িত্ব পালন করবেন।
৭। কোন সভায় যে কোন সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সম-সংখ্যক ভোট পরলে সভাপতি একটি কাষ্টিং ভোট প্রদান করবেন।
৮। বিশেষ প্রয়োজনে জরুরী সভা আহ্বান করবেন।
৯। নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সংগঠনের করণীয় ও কার্যাবলী নির্ধারণ করবেন।
১০। বিশেষ প্রয়োজনে সহ -সভাপতিদের সহযোগিতায় সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিমার্জন এর ক্ষমতা বহন করেন।

সহ-সভাপতি :
১। সংগঠনের দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হবেন।
২। সভাপতির সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।
৩। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
৪। সংগঠনের উপ-নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।
৫। সভাপতির মতই গঠনতন্ত্র অনুসারে সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন।
৬। সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধন,পরিবর্তন ও পরিমার্জনে সহায়তা করবেন।

সাধারণ সম্পাদক:
১। নির্বাহী পরিষদের নিকট সংগঠনের কার্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দায়ী থাকবেন।
২। সকল প্রকার যোগাযোগ, চিঠি লেখা ও চিঠিপত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে তিনি স্বাক্ষর প্রদান করবেন।
৩। সংগঠনের কার্যক্রম, কর্মসূচি ও প্রকল্প প্রস্তাবনা ও বাস্তবায়ন এবং নির্বাহী পরিষদের সদস্য/ সদস্যাদের সাথে সমন্বয় সাধন করবেন।
৪। সংগঠনের সকল প্রকার চিঠিপত্র,কাগজপত্র, তথ্য ও দলিল রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।
৫। প্রশাসন , প্রকল্প তৈরি, বাজেট তৈরির কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নে সহযোগীতা করবেন।
৬। সকল ধরণের সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ রাখার ব্যবস্থা করবেন।
৭। সংগঠনের সার্বিক সকল নির্বাহী ও সাধারণ সদস্যদের সাথে যোগাযোগ আলাপ-আলোচনা এবং পরামর্শ বজায় রাখবেন। সংগঠনের বার্ষিক রিপোর্ট ও বাজেট পেশ করবেন।
৮। সভাপতির সাথে আলোচনা করে সভা আহ্বানের দিন ,তারিখ, সময় ও স্থান নির্ধারণসহ আলোচ্যসূচী উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি বিতরণের ব্যবস্থা করবেন।
৯। নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন।
সহ-সাধারণ সম্পাদক
১। সাধারণ সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা প্রদান করবেন।
২। সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তার সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
৩। নির্বাহী পরিষদ প্রদত্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক
১। সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
২। সংগঠনের কার্যক্রমে স্থীরতা প্রকাশ পেলে এর কারণ নির্ণয় করে তা দূরীকরণের জন্য সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদকের সাথে আলোচনাপূর্বক করণীয় নির্ধারণ করবেন।
৩। সংগঠনের কোন সদস্যের অনুপস্থিতি বা সংগঠনের স্বার্থ বিরোধী কোন কাজ নির্ণয় এবং সমস্যাসমূহ দেখে সংগঠনের স্বার্থে সবাইকে তা অবহিত করবেন।
৪। সাংগঠনিক সম্পাদক সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য সর্বদা নিয়োজিত থাকবেন।
৫। সংগঠন কোন হুমকির শিকার হলে সেটি সভাপতিকে অবগত করবেন।
৬। সংগঠনের শৃঙ্খলা এবং ব্যাপ্তি ঘটানোর জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করাই তার প্রধান কাজ।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক
১। সাংগঠনিক সম্পাদকের কাজে সহযোগিতা করাই সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের কাজ।
২। সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রচার সম্পাদক
১। সংগঠনের বিকাশ সাধনের জন্য সংগঠন হতে ঘোষিত প্রচারপত্র , পোস্টার এবং বক্তব্য অত্র সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে পৌছে দেয়া প্রচার সম্পাদকের কাজ।
২। সংগঠন হতে সকল প্রকার প্রকাশনার ডিজাইন, তথ্য সংগ্রহ, প্রুফ দেখা সম্পন্ন করে থাকবেন।
৩। সংগঠনের বাহ্যিক প্রচারে বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব নির্বাহী সভায় উপস্থাপন করবেন।
৪। প্রয়োজন অনুযায়ী সংবাদ সম্মেলন ও গোলটেবিল আলোচনার ব্যবস্থা করবেন।
৫। সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা কার্যক্রমের সময় সারা দেশব্যাপি প্রচারের ব্যবস্থা করা এবং তা যথাযথ ভাবে হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখবেন।
৬। বিভিন্ন সামাজিক গণমাধ্যমে সংগঠনের প্রচারণার দায়িত্বও তার অধীনে।
৭। সংগঠনের বিভিন্ন খবর পত্রিকায় প্রকাশের ব্যবস্থা করা তার দায়িত্ব।

অর্থ সম্পাদক
১। সংগঠনের আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব রাখা, সংগৃহীত অর্থ যাতে সংগঠনের স্বার্থে ব্যয় হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা অর্থ সম্পাদকের মূল কাজ।
২। সংগঠনের সদস্যদের হতে মাসিক ফি সংগ্রহ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গ হতে অনুদান গ্রহণ তার দায়িত্ব।
৩। তিনি সংগঠনের অর্থের ভবিষ্যৎ উৎস চিহ্নিত করে নির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন।
৪। বার্ষিক অর্থনৈতিক রিপোর্ট করবেন এবং অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সভায় পেশ করবেন।
৫। সংগঠনের সকল প্রকার আর্থিক বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।
৬। সংগঠনের তহবিল বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন।
৭। সংগঠনের জমা খরচের হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যাপারে অর্থ সম্পাদক সাধারণভাবে দায়ী থাকবেন।

অনুচ্ছেদ-৯
সংগঠনের তহবিল সংক্রান্ত বিষয়াবলী
১) অত্র সংগঠনের সদস্যদের প্রাথমিক সদস্য ফি এবং মাসিক ফি সংগঠনের তহবিলের প্রধান উৎস হিসেবে গণ্য হবে। তবে শুভাকাংখীদের নিঃস্বার্থ এককালীন দান, অনুদান বা সাহায্যও তহবিলের উৎস হিসেবে বিবেচিত হবে।

অনুচ্ছেদ-১০
বিবিধ:
সংগঠনের স্বার্থে সভাপতি বা নির্বাহী পরিষদ সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধন,পরিবর্তন ও পরিমার্জন এর ক্ষমতা বহন করেন। সংগঠনের স্বার্থে সভাপতি বা নির্বাহী পরিষদ যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বহন করেন।

🔖 আমাদের কাছে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা-
যোগাযোগঃ সুন্দরবন বাজার, গুলিশাখালী, মোড়েলগঞ্জ, বাগেরহাট।
বিকাশ, রকেট, নগদ পার্সোনাল নাম্বারঃ +8801517055692
ইমেইলঃ talukderambiafoundation@gmail.com